Ads 468x60px

"সনাতন" শব্দের অর্থ কি?

সনাতন বা Sanatana একটি সংস্কৃত শব্দ। যদি এক কথায় এর অর্থ প্রকাশ করা যায় তাহলে এর অর্থ দাঁড়াবে "Eternal" বা "চিরস্থায়ী"।
এটা কেবল মাত্র অভিধান বা Dictionary গত অর্থ। কিন্ত যদি আসলে "সনাতন বা Sanatana" শব্দটিকে যদি ইংরেজি তে অনুবাদ করা হয় তাহলে যে অর্থগুলি আমরা পাবো সেগুলি নিম্নরূপ- Eternal বা চিরস্থায়ী, Perennial বা বহুবর্ষজীবি, Never beginning nor ending বা যার শুরু নেই শেষ নেই, Abide বা সুস্থায়ী, Universal বা সার্বজনীন, Ever present বা সর্বদা বর্তমান, Unceasing বা অবিরত Nature বা প্রকৃতি, Harmony বা সুসামজ্ঞস্য, Way of truth বা সত্যের দিক, Righteous বা ন্যায়পরায়ণ Compassion বা করুণাময়, Natural law বা প্রাকৃতিক নিয়মাবলী, Light of Wisdom বা জ্ঞানের আলো, Tradition বা ঐতিহ্য, Philosophy বা দর্শনশাস্ত্র, Orderly বা সুবিন্যস্ত, Inherent Nature বা সহজাত প্রকৃতির Law of being and Duty বা অস্তিত্ব ও দায়িত্বের নিয়ম, Divinity বা ঈশ্বরত্ব, Enduring বা সুদূর অতীত

আমরা শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন পালন করি কিন্তু মৃত্যুদিবস পালন করি না কেন ?

মৃত্যুদিবস ? কার মৃত্যুদিবস ? ভগবান তো মৃত্যু বরন করে নি। তিনি তো লীলা সংবরন করেছিলেন।
আবার হয়ত তুমি বলতে পারো, যার জন্ম আছে তার মৃত্যুও আছে। হ্যাঁ! ঠিকই তো যার জন্ম আছে তার অবশ্যই মৃত্যু আছে।
কিন্তু সেটা সাধারন মানুষের জন্য। ভগবান তো জন্মমৃত্যু রহিত। কিন্তু তা সত্ত্বেও তিনি জীবের কল্যানে লোকশিক্ষা প্রদানে জন্মগ্রহন করেছিলেন। ভগবান কখনো সর্বসাধারনকে বলে না “আমি "ভগবান’’জ্ঞানীরা বুঝে নেয়। আর যারা তার লীলা বুজতে সক্ষম তাদের কেই তিনি নিজ মহিমা বলেন। আর বাকিদের জন্য এমন কিছু করে যান যাতে তারা ভগবানকে বুঝতে পারে। এই লীলাটিও তাদের জন্যই।আর কোথায় পাওয়া গেছে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মৃত্যু হয়েছে? প্রমান আছে কারো কাছে? এবার হয়ত বলতে পারে ,” জরা নামক ব্যাধ তো শ্রীকৃষ্ণকে তীর মেরে হত্যা করেছিল।’’ জরা ব্যাধ তীর

সতীর ৫১ পীঠ

শক্তিপীঠ হিন্দুধর্মের পবিত্রতম তীর্থগুলির অন্যতম। শক্তিপীঠ নামাঙ্কিত তীর্থগুলিতে দেবী দাক্ষায়ণী সতীর দেহের নানান অঙ্গ প্রস্তরীভূত অবস্থায় রক্ষিত আছে। সাধারণত ৫১টি শক্তিপীঠের কথা বলা হয়ে থাকে।
ভারতীয় উপমহাদেশের নানা স্থানে এই শক্তিপীঠগুলি ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। কলকাতার কালীঘাট, বীরভূমের বক্রেশ্বর, নলহাটি; বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ভবানীপুর ইত্যাদি বাংলার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তিপীঠ।
সত্য যুগে মহাদেবের উপর প্রতিশোধ নেয়ার জন্য দক্ষ রাজা বৃহস্পতি নামে এক যজ্ঞের আয়োজন করেছিলেন। দক্ষ তার কন্যা সতী দেবী তার(দক্ষর) ইচ্ছার বিরুদ্ধে 'যোগী' মহাদেবকে বিবাহ করায় ক্ষুব্ধ ছিলেন। দক্ষ মহাদেব ও সতী দেবী ছাড়া প্রায় সকল দেব-দেবীকে নিমন্ত্রন করেছিলেন। মহাদেবের অনিচ্ছা সত্ত্বেও সতী দেবী মহাদেবের অনুসারীদের সাথে নিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন।
কিন্তু সতী দেবী আমন্ত্রিত অতিথি না হওয়ায় তাকে যথাযোগ্য সম্মান দেয়া হয়নি। অধিকন্ত্তু দক্ষ মহাদেবকে অপমান করেন। সতী দেবী তার স্বামীর প্রতি পিতার এ অপমান সহ্য করতে না পেরে তার যোগীর শক্তির উত্থান ঘটিয়ে

স্বধর্ম ত্যাগ করলে কি হয় জেনে নিন

২৮ টি নরকের মধ্যে অন্যতম ভয়ংকরী নরক হলো" অসিপত্রবন"।

যে ব্যক্তিস্বধর্ম পরিত্যাগ করে অন্য ধর্ম বা পরের ধর্ম গ্রহন করেন তাহারা মৃত্যুর পর এই নরকে পতিত হয়। যমদূত গন অতি গরম তাপের কীটের জলে তাকে ফেলিয়ে তার দেহে কষাঘাত করতে থাকে,তখন সে সহ্য না করতে পেরে ছোটাছুটি করতে থাকে, তখন অতি ধারালো তালবনের অসিপত্র দ্বারা তার দেহ কেঁটে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তখন সে চিৎকার করে বলে" আমি হত হলাম, আমাকে ছেড়ে দাও "। বরং যমদূতগন না ছেড়ে অবিরাম তাকে

সত্যম্‌ শিবম্‌ সুন্দরম্‌

ব্রহ্মার রচনা করা প্রজা যখন বৃদ্ধি পাওয়া বন্ধ হল, তখন তিনি পুনরায় মৈথুনী সৃষ্টি করার কথা ভাবলেন। এর আগে ঈশ্বরের থেকে নারীগণ প্রকটিত হয়নি । তাই পিতামহ ততদিন মৈথুনী সৃষ্টি করতে পারেননি । তখন তিনি মনে মনে এমন চিন্তা করলেন, যা নিশ্চিতরূপে তার মনোরথ সিদ্ধির সহায়ক ছিল । তিনি ভাবলেন প্রজাবৃদ্ধির জন্য পরমেশ্বরকেই জিঞ্জাসা করা উচিত; কারণ তাঁর কৃপা ব্যতীত প্রজা-বৃদ্ধি সম্ভব নয়।
এই ভেবে বিশ্বাত্মা ব্রহ্মা তপস্যা করার উদ্যোগ নিলেন। তখন যিনি আদ্য, অনন্তা, লোকভাবিনী, সূক্ষ্মতরা, শুদ্ধা, ভাবগম্যা, মনোহরা, নির্গুণা, নিষ্প্রপঞ্চা, নিষ্কলা, নিত্যা এবং সর্বদা ঈশ্বরের কাছে থাকা তাঁর পরমা শক্তি, তাঁতে যুক্ত ভগবান ত্রিলোচনকে নিজ হৃদয়ে চিন্তা করে কঠোর

মহালয়া কি ? কেন এই মহালয়া ? মহালয়া কি গুরুত্ব ধারন বা পালন করে ?

শুভ মহালয়া , শুভ মহালয়া আজ অনেক শুনেছেন । কিন্তু কেন এই মহালয়া ! সবাই নিশ্চিত মহালয়া মানে দূর্গাপূজার দিন গোনা, মহালয়ার ৬ দিন পর মহাসপ্তমি , তাই দেবিকে আমত্রন ইত্যাদি । মহালয়ার তার চেয়ে বড় গুরুত্ব আছে , সেটা কেউ কেউ জানেন , কেউ কেউ জানেন না ।

ত্রেতা যুগে ভগবান শ্রীরামচন্দ্র অকালে দেবিকে আরাধনা করেছিলেন লঙ্কা জয় করে সীতাকে উদ্ধারের জন্য  আসল দূর্গা পূজা হলো বসন্তে , সেটাকে বাসন্তি পূজা বলা হয় । শ্রীরামচন্দ্র অকালে-অসময়ে পূজা করেছিলেন বলে এই শরতের পূজাকে দেবির অকাল-বোধন বলা হয় ।

শক্তিময়ী শ্রী মা কালি ও দীপাবলী সম্পর্কে আজকে আমাদের এই পোস্ট

ওঁ জয়ন্তী মঙ্গলা কালী ভদ্র কালী কপালিনী 
দুর্গা শিবা ক্ষমা ধাত্রী স্বাহা স্বধা নমোহস্ততে।
                                                                - শ্রী শ্রী চন্ডী 

শ্রী মার পরিচয়ঃ
কলনাৎ সর্ব ভূতানাং সঃ কালঃ পরিকীর্ত্তিতঃ
মহাকালস্য কলনাৎ সঃ কানী পরিকীর্তিত্য।
তাৎপর্যঃ সর্বভূত অর্থাৎ জীবজগতকে যিনি কলন অর্থাৎ গ্রাস করেন, তিনি কাল বা মহাকাল। আর মহাকালকে যিনি গ্রাস করেন তিনিই হচ্ছেন কালী।

দুর্গা মায়ের পূজার জন্য নিয়ে নিন কিছু ঢাকের সূর

বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন আশাকরি সবাই ভালো ও সুস্থ আছেন । আজকে আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম কিছু ঢাকের বাজনা ।  যারা গান শুনতে ভালো বাসে তাদের ভালো লাগবে । নিচে mediafire লিঙ্ক দিলাম আসাকরি ডাউনলোড করতে কোন আসুবিধা হবে না ।
 
 
Dhak-২

সিদ্ধিদাতা শিব গৌরী পুত্র গণেশ মহারাজ

সিদ্ধিদাতা শিব গৌরী পুত্র গণেশ মহারাজ ছিলেন বুদ্ধিতে সুনিপুণ । পুরাণ গুলিতে এমন বহু ঘটনা আছে । এক সময়ের কথা , মাতা উমা ঠিক করলেন দুই পুত্রের বিবাহ দেবেন । সেইমতো শর্ত হোলো যে আগে সাতবার পৃথিবী পরিক্রমা করে আসতে পারবে তার বিবাহ অগ্রে দেওয়া হবে । এই শুনে কুমার স্কন্দ, তাঁর বাহন ময়ূরে চেপে পৃথিবী পরিক্রমা করতে বের হলেন। গণেশ মহারাজ চিন্তায় পড়লেন। তাঁর বাহন মূষিক। মূষিকে চেপে সাতবার পৃথিবী পরিক্রমা করতে কয়েক যুগ চলে যাবে। মঙ্গলমূর্তি গণেশ জী তখন শিব পার্বতীকে সাতবার প্রদক্ষিণ করে বললেন- “পিতা মাতা। আমার পৃথিবী পরিক্রমা হয়ে গেছে ।” হরগৌরী আশ্চর্য হয়ে বললেন- “সেকি? তুমি তো পরিক্রমা করতে গেলেই না, কিভাবে পরিক্রমা হোলো?” বক্রতুণ্ড গজানন বললেন- “পিতামাতাই সন্তানের কাছে ভগবান, পিতামাতাই সন্তানের কাছে জগত। তাই আপনাদের পরিক্রমা করে আমার জগত পরিক্রমা হয়ে

হিন্দু ধর্মের প্রয়োজনীয় সকল ধর্ম গ্রন্থ......

বইগুলো ১০০ বছরেরও পুরনো হওয়ায় এগলোর আকারে বড়। ডাউনলোড লেখায়  Click করুন তবে Adf.ly পৃষ্টা আসলে সেখানে ০৫ সেকেন্ড অপেক্ষা করার পর  Skip Add এ Click করুন তবেই ডাউনলোড শুরু হবে । কিছু কিছু বই ডাউনলোড করার জন্য ডাউনলোড ম্যানেজার লাগবে। যদি ডাউনলোড ম্যানেজার আপনার সংগ্রহে না থাকে তবে নিচের লিংক হতে নামিয়ে নিন । এবং বইগুলো জিপ ফাইল হওয়ায় এক্সট্রাক্ট করার জন্য wirar সফটও্যার লাগবে । না থাকলে নিচের লিংক হতে নিয়ে নিন।  Internet Download Manager এবং  Winrar   এখান থেকে সরাসরি ডাউনলোড করুন । 




 শ্রীমদ্ভাগবত  এটি একটি ভক্তিবাদী ধর্মগ্রন্থ। বিষ্ণুর পূর্ণ অবতার তথা "স্বয়ং ভগবান" কৃষ্ণের প্রতি গভীর ব্যক্তিগত ভক্তিই এই পুরাণের প্রধান আলোচ্য বিষয়। হিন্দু পৌরাণিক সাহিত্যের অনেক কাহিনি তথা বিষ্ণুর চব্বিশ জন অবতারের কাহিনি ভাগবত পুরাণে লিপিবদ্ধ রয়েছে। ভাগবত পুরাণই প্রথম পুরাণ যেটি কোনো ইউরোপীয় ভাষায় অনূদিত হয়। ১৮৪০ থেকে ১৮৫৭ সালের মধ্যে ভাগবত পুরাণের তিনটি ফরাসি অনুবাদ প্রকাশিত হয়। পদ্মপুরাণেরশ্রেণিবিন্যাস অনুসারে ভাগবত পুরাণ একটি সাত্ত্বিক পুরাণ।

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী

www.sonatonblogbd.ml
আজ শুভ জন্মাষ্টমী। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি। সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্তরা বিশ্বাস করেন, পৃথিবী থেকে দুরাচারী দুষ্টদের দমন করা আর সাধু লোকদের রক্ষা করার জন্যই মহাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এই দিনই স্বর্গ থেকে পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন।
সত্য এবং ত্রেতা যুগের পরে আসে দ্বাপর যুগ। সত্য যুগে সকলে ছিল সত্যবাদী। সত্য ছিল প্রতিটি স্থানে প্রতিটি স্তরে। মোটকথা ধর্ম ছিল ১০০ ভাগ। সত্য যুগে পরে আসে ত্রেতা যুগ। ত্রেতায় চার অংশের এক অংশ চলে আসে অধর্ম। আর দ্বাপরে বিরাজ করে অর্ধেক ধর্ম এবং অর্ধেক অধর্ম। মানুষের মধ্যে আসে স্বার্থের মনোভাব,

বাংলা অনুবাদসহ শ্রীমদভগবতগীতা (Mp3 Format)

যারা কাজের ব্যস্ততার কারনে নিয়মিত শ্রীমদভগবতগীতা পড়তে পারেন না, তারা এবার Mp3 Format -এ শ্রীমদভগবতগীতা বাংলা অর্থসহ শুনে পারমার্থিকজ্ঞান লাভ করতে পারবেন, আবার আপনি ইচ্ছা করলে ডাউনলোড করেও আপনার সংগ্রহে রাখতে পারেন... আপনার মা- বাবা- ভাই- বোন এবং আত্মীয় স্বজন কে শুনানোর জন্য। 

ডাউনলোড করতে DOWNLOAD NOW লেখায় Click করুন । Direct MediaFire link দেওয়া আছে। 

কিছু প্রশ্নের যৌক্তিক উত্তর । নিজে জানুন শেয়ার করে অন্যকে জানতে সাহায্য করুন।

* হিন্দুরা নারকেলের শুকনো খোসা দিয়ে ধূপ দেয় কেন ? 
উঃ- নারকেলের শুকনো খোসার ধোয়াতে মশা মাছি চলে যায় । এছাড়া এতে গুড়ো ধূপ যোগ করলে সুগন্ধ উৎপন্ন হয়। এই ধূম রোগ জীবানু নষ্ট করে। মশক ও মাছি বাহিত রোগের আশাঙ্কা কমে যায়। তাই হিন্দুরা নারকেলের শুকনো খোসা দিয়ে ধূপ দেয় । ঠিক এই কারনে বসন্ত রোগের সময় হিন্দুরা শুকনো নিমপাতার ধোয়া দেয়। নিম পাতা চর্ম রোগের প্রতিষেধক ।

তুলসী গাছ কেন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে এত পবিত্র ? হিন্দু বাড়িতে তুলসী গাছ থাকে কেন ?

তুলসী (Tulsi/Holy Basil/ thai Krapho) একটি Lamiaceae family এর অন্তর্গত সুগন্ধি বীরুত্‍ জাতীয় উদ্ভিদ যার বৈজ্ঞানিক নাম Ocimum sanctum (sanctum অর্থ পবিত্র স্থান) । হাজার হাজার বছর ধরে সাধারণত কৃষ্ণ ও রাধা তুলসী এই দুই প্রকারে প্রাপ্ত তুলসী হিন্দু গৃহে পবিত্রতার প্রতীক হিসেবে পূজিত হয়ে আসছে যেহেতু এর পিছনে রয়েছে ধর্মীয় ,পরিবেশগত ও বৈজ্ঞানিক কারণ ।
ধর্মীয় কারণ :
ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে তুলসীকে সীতাস্বরূপা ,স্কন্দপুরাণে লক্ষীস্বরূপা,চর্কসংহিতায় বিষ্ণুর ন্যায় ভুমি,

আজ আমাদের পোস্ট দশবিধ সংস্কার নিয়ে

মনুসংহিতা, যাজ্ঞবাল্ক সংহিতা পরাশর সংহিতা, প্রভূতি স্মৃতিশাস্ত্রে দশকর্মের বিধি-বিধান বর্ণিত হয়েছে।

•গর্ভাধান -
পিতা-মাতার দেহে ও মনে যেসব দোষ- গুণ থাকে সেগুলো সন্তানের মধ্য দিয়ে প্রকাশিত হয়।এটা দেখে আর্য- ঋষিগণ গর্ভাধান বিধি প্রবর্তন করেছেন। শুভলগ্নে সন্তানের জন্মদানের জন্য যে মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান তাকে গর্ভাধান।

নমস্কার কোথা হতে এলো ? "নমস্তে'' শব্দের অর্থ কী ?

সৃষ্টির আদি হতে মহাভারতের যুগ পর্যন্ত সকলে পরস্পর নমস্তে বলে সম্বোধন করতেন। তারপর যখন থেকে মতামতান্তর এবং অনেক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটে, সেই সময় তারা পরস্পর সন্মান প্রদর্শনার্থে পৃথক পৃথক শব্দ স্থির করে নেয় । কেহ 'GOOD MORNING', GOOD NIGHT', GOOD BYE', কেহ 'আসসালামু আলাইকুম ', ওআলাইকুম সালাম ', 'আদব অর্জ' ইত্যাদি ইত্যাদি শব্দ বিধর্মীগণ এবং বিদেশীরা কল্পনা করে নেয় ।
হিন্দুদের মধ্যেও মত ও পন্থবাদীরা অনেক শব্দ কল্পনা করেছে, 'কেউ জয় শিব' 'জয় হরি' 'জয় গোবিন্দ' 'জয় রাধে শ্যাম' ,'হরে কৃষ্ণ',

হিন্দুধর্ম সম্বন্ধে প্রাসঙ্গিক কিছু কথা যা জানা সকলের দরকার

হিন্দুধর্ম সম্বন্ধে কিছু ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। অনেকে মনে করে থাকেন এ ধর্ম দুর্বোধ্য ও অযৌক্তিক। এরূপ মনে করার কারণ এর বিশালত্ব, যা অনায়াসলভ্য নয়। কতগুলি বিশ্বজনীন মৌলিক সত্য রয়েছে এবং বিভিন্ন দৃষ্টি ভঙ্গীতে নিরূপিত সে সত্যের উপর হিন্দু ধর্ম প্রতিষ্ঠিত। এ যেন বিশাল এক অশ্বত্থ বৃক্ষ! এর শাখা-প্রশাখা অসংখ্য। অনেকে এর কোনটি শাখা, কোনটি উপশাখা বুঝতে পারেন না। কাজেই যে কোন একটি শাখা বা উপশাখাকে ধরে হিন্দু ধর্মকে বুঝতে গিয়ে ভ্রান্ত হওয়া স্বাভাবিক। আবার এর যে কোন একটি শাখা বা প্রশাখা হিন্দু ধর্মের সার্বিক পরিচায়ক নয়।

আসলে এসব ভিন্ন মতবাদ সকলই সমসূত্রে গাঁথা। এসূত্রটি হল বেদচতুষ্টয়। বেদ হিন্দুর মূল ধর্ম গ্রন্থ।

শ্রীমদ্ভগবদগীতার উত্‍পত্তি ও ইতিকথা

শ্রীমদ্ভগবদগীতা বহু প্রাচীন কাল থেকে একটি পবিত্র ধর্মগ্রন্থ হিসেবে সমাদৃত হয়ে আসছে । আজ থেকে হাজার হাজার বছর পূর্বে দ্বাপর যুগে শ্রীগীতার এ অমিয় বাণী কুরুক্ষেত্রের ধর্মযুদ্ধে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অগ্রহায়ণ মাসের শুক্লা একাদশী তিথিতে অর্জুনকে ব্যক্ত করেছিলেন । কৃষ্ণদ্বৈপায়ন যিনি মহর্ষি ব্যাসদেব নামে সমধিক পরিচিত তিনি মহাভারত রচনা করে এই কথোপকথন ভীষ্ম পর্বের ২৫ অধ্যায় হতে ৪২ অধ্যায় পর্যন্ত সপ্তশতী শ্লোকে অন্তর্ভূক্ত করেন । মহর্ষি শংকরাচার্য
Blogger Widgets
 

ভিজিটর সংখ্যা

page visitor counter
SB
 
Elegant Rose - Working In Background
Blogger Widget